রয়টার্স ছবি
যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও ভয়াবহ মানবিক ও অবকাঠামোগত সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে ফিলিস্তিনের গাজা। টানা সংঘাতের ফলে অঞ্চলটিতে এখনো লাখো মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়ে পড়েছে।
গাজা বোর্ড অব পিস জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতির পর মানবিক সহায়তা প্রবাহ প্রায় ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে এই সহায়তা এখনো চাহিদার তুলনায় অনেক কম, কারণ বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে ধ্বংসযজ্ঞের মাত্রা অত্যন্ত ভয়াবহ।
সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, গাজার প্রায় ৮৫ শতাংশ ভবন ও সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত অথবা পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। আবাসিক এলাকা, হাসপাতাল, স্কুল, বিদ্যুৎ অবকাঠামো এবং পানি সরবরাহ ব্যবস্থার বড় অংশই ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে বিশ্লেষকরা বলছেন, শুধুমাত্র জরুরি ত্রাণ সহায়তা নয়, দীর্ঘমেয়াদি পুনর্গঠনের জন্যও আন্তর্জাতিক সহায়তা অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। গাজাকে পুনর্গঠনে অন্তত ৩০ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মানবাধিকার সংগঠনগুলো সতর্ক করে বলেছে, দ্রুত পুনর্বাসন ও অবকাঠামো পুনর্নির্মাণ শুরু না হলে গাজার মানবিক পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার নিতে পারে।
একই সঙ্গে তারা স্থায়ী শান্তি ও অবরোধ শিথিলের ওপরও গুরুত্বারোপ করেছে, যাতে পুনর্গঠন কার্যক্রম কার্যকরভাবে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়।